বাংলার মানুষের কথা, দেশের কথা তাঁকে নিয়ত ভাবায়। তিনি পার হন কলেজের চৌকাঠ। আরো বড় হন তিনি। যুক্ত হন রাজনীতির সঙ্গে। গরিব মানুষের দুঃখ দূর করার জন্য আন্দোলন করেন। ১৯৭১ সালে ডাক দেন স্বাধীনতার। এই খোকা আমাদের বঙ্গবন্ধু।
"উদ্দীপকে 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' রচনার অনেকাংশ অপ্রকাশিত রয়ে গেছে।"- উক্তিটি যথার্থ।
পাকিস্তানি শাসকরা তাদের শোষণের জাল বিস্তার করে এদেশের মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার শুরু করে। শোষণের বেড়াজালে আবদ্ধ বাঙালি জাতিকে মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার মানুষ।
'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষকে পরাধীনতার শেকল থেকে মুক্ত করতে কীভাবে তাঁর ভাষণের মাধ্যম স্বাধীনতার ডাক দেন তার বর্ণনা রয়েছে। এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা অর্জনে দিকনির্দেশনা দানের বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর ভাষণে বলেছেন, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' তিনি স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেন। বাংলার মানুষ তাঁর ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, সংগ্রামী চেতনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। উদ্দীপকেও শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দেওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে বাঙালি জাতির দুঃখ দূর করার জন্য তিনি আন্দোলন করেন, ১৯৭১ সালে ডাক দেন স্বাধীনতার।
উদ্দীপকে শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলা হয়েছে। যিনি বাংলার মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে ডাক দেন স্বাধীনতার। 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' প্রবন্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের সেই স্বাধীনতার ডাকের কথা বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। সেই সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বাঙালির বঞ্চিত জীবন ও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কূটচালের চিত্র। আলোচ্য রচনার অনেক বিষয় উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?